Skip to content

২০২৭ সালের শুরুতে আসছে

আপনার স্কিনকেয়ার কত পুরনো?

বেশিরভাগ কোম্পানি উৎপাদনের তারিখটা ব্যাচ কোডের ভেতরে লুকিয়ে রাখে। আপনারটা লিখুন, পড়তে পারলে আমরা বলে দেব। যেখান থেকেই কিনুন, যেকোনো প্রোডাক্টেই কাজ করবে।

এটা বলতে পারে না প্রোডাক্ট আসল কি না। বাক্সের গায়ে ছাপা কোনো কিছুই পারে না — যে নকল করে, সে বাক্সটাও নকল করে। তবে এটা বলতে পারে প্রোডাক্টটা কত পুরনো — আর এদেশে বিক্রি হওয়া ইমপোর্টেড স্কিনকেয়ারে সবচেয়ে বেশি গণ্ডগোল থাকে ঠিক সেখানেই।

সাধারণত বাক্সের নিচে বা টিউবের শেষ মাথায় চাপ দিয়ে লেখা থাকে।

নকল চেনার আসল উপায়

কোনো কোড এটা করতে পারে না। যা পারে, তা হলো নিচের জিনিসগুলো — আর এগুলো একসঙ্গে পড়তে হয়, আলাদা করে নয়।

  1. ১

    দাম বাকিদের চেয়ে অনেক কম

    এটাই সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত। আসল ইমপোর্টে শুল্ক আর ফ্রেইট যোগ হয়। বাজারদরের চেয়ে অনেক কম দাম কেউ আপনার জন্য জোগাড় করে দেয়নি।

  2. ২

    বাক্সের ছাপার মান

    সবচেয়ে ছোট লেখাটা দেখুন — উপাদানের তালিকা, বারকোডের অংশ। নকলে লোগো ভালো আসে, কিন্তু ছোট লেখা খারাপ: ঝাপসা কিনারা, অসম ফাঁক, একটু অন্যরকম মোটা।

  3. ৩

    সিল, আর পাম্প বা ক্যাপের আচরণ

    নতুন জিনিস নতুনই লাগবে: অক্ষত সিল, পাম্প প্রথমে কয়েকবার চাপতে হবে, ক্যাপ ব্র্যান্ডের নিয়মেই আটকাবে। সিল খুলে আবার ভরা প্যাক এখানে খুব সাধারণ।

  4. ৪

    টেক্সচার আর গন্ধ, চেনা প্যাকের সঙ্গে মিলিয়ে

    নকল করা সবচেয়ে কঠিন, আর ধরা সবচেয়ে সহজ। আগে ব্যবহার করে থাকলে পাতলা টেক্সচার, অন্যরকম গন্ধ বা রঙের বদল যেকোনো কোডের চেয়ে বেশি কিছু বলে।

  5. ৫

    আপনি কার কাছ থেকে কিনছেন

    শেষ পর্যন্ত এটাই ঠিক করে দেয়। যে বিক্রেতা বলতে পারে কোন ব্যাচ তার কাছে আছে আর কোথা থেকে ইমপোর্ট হয়েছে, সে এমন ঝুঁকি নিচ্ছে যা নকলকারী নেবে না।

আমরা কাগজপত্র প্রকাশ করি

আমরা যা কিছু ইমপোর্ট করি, তার উৎস দেশ, সরবরাহকারী, আমদানিকারক আর ব্যাচ — সব দেখাই। যেটার পেছনে দাঁড়াতে পারব না, সেই ঘর ফাঁকা রাখি।

আমরা কীভাবে যাচাই করি