বাংলাদেশে মিশ্র ত্বকের জন্য স্কিনকেয়ার রুটিন
একটি রুটিন, দুটি নয়। পুরো মুখে মৃদু, আর টি-জোনে নির্দিষ্টভাবে।
এটি কি আপনার ক্ষেত্রে?
কপাল, নাক ও থুতনি তেলতেলে, অথচ গাল স্বাভাবিক বা শুষ্ক। এখানে এটিই সবচেয়ে সাধারণ ত্বকের ধরন, আর মুখের সবচেয়ে তেলতেলে অংশ দেখে পণ্য বাছার কারণে এটিই সবচেয়ে বেশি ভুল যত্ন পায়।
সকাল
ক্লেনজ
মৃদু জেল বা জেল-ক্রিম ক্লেনজার
টি-জোন নয়, গাল দেখে বাছুন। নাকের জন্য যথেষ্ট কড়া ওয়াশ বাকি অংশ ছিন্ন করে ফেলবে।
ট্রিট
মুখের দুই অংশেই মানায় — এ কারণেই এই ত্বকের ধরনে এটিই সঠিক অ্যাকটিভ।
ময়েশ্চারাইজ
যেখানে শুষ্ক, সেখানে বেশি দিন। সবকিছুর দুটো করে রাখার চেয়ে এভাবে বেশি দেওয়াই সহজ।
প্রোটেক্ট
হালকা ফ্লুইড বা জেল সানস্ক্রিন, এসপিএফ ৫০ পিএ++++
যেকোনো রুটিনের সবচেয়ে বেশি ফল দেওয়া ধাপ। প্রতিদিন সকালে — বাইরে তো বটেই, জানালার পাশে ঘরের ভেতরেও।
রাত
ক্লেনজ
আগে অয়েল ক্লেনজ, তারপর জেল ওয়াশ
যেদিন সানস্ক্রিন বা মেকআপ ছিল, সেদিন।
ট্রিট
শুধু টি-জোনে বিএইচএ, সপ্তাহে দুই রাত
পুরো মুখ নয়, নির্দিষ্ট জায়গায়। এই একটি ধাপেই মিশ্র ত্বক সত্যিই দুই ধরনের ত্বক।
ময়েশ্চারাইজ
সবখানে, টি-জোনসহ।
বাংলাদেশে
বর্ষায় টি-জোন বেশি তেলতেলে হয়, শীতে গাল বেশি শুষ্ক — তাই বছরজুড়ে এই ত্বকের রুটিনই সবচেয়ে বেশি বদলায়। কাঠামো একই থাকে; টেক্সচার বদলায়।
সাধারণ ভুল
মুখের সবচেয়ে তেলতেলে অংশ দেখে কেনা
সবকিছু ম্যাটিফাইং হলে গাল টানটান হয়ে যায়, আর টানটান গালের কারণেই মানুষ ঘন ক্রিম খোঁজে — যা পরে টি-জোনে ব্রণ তোলে।
সাধারণ প্রশ্ন
আমার কি দুটি ময়েশ্চারাইজার দরকার?
খুব কমই। একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার, শুষ্ক জায়গায় একটু বেশি করে — বেশিরভাগ মানুষের জন্য এটুকুই যথেষ্ট।
এই লেখাটি সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। স্কিনকেয়ার পণ্য ওষুধ নয়। দীর্ঘস্থায়ী বা বেড়ে চলা ত্বকের সমস্যায় চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।